Description
দিনাজপুরের সুগন্ধি কাটারিভোগ চাল
- ১০০% স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি
- মূল্যঃ টাকা কেজি
- পরিমাণঃ নূন্যতম ১ কেজি থেকে যেকোন পরিমান
- সংগ্রহ: দিনাজপুর
- প্যাকিং: স্মার্ট প্যাকিং জেলা সদরে হোম ডেলিভারি ও থানা পর্যায়ে কুরিয়ার এর অফিস ডেলিভারি হবে। অর্ডার করার পুর্বে বিস্তারিত জেনে নিতে চাইলে কল করুন 01713 821355 (WhatsApp) নম্বরে ।
দিনাজপুরের সুগন্ধি কাটারিভোগ চাল
সুগন্ধি কাটারীভোগ সিদ্ধ চাল (দিনাজপুরের জি আই পণ্য) l তাই তো জিআই পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের কাটারিভোগ চাল নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে রয়েছে। G এর পূর্ণরূপ হলো Global Identity বা ভৌগোলিক নির্দেশক। বাংলাদেশ সরকার দেশের ঐতিহ্যবাহী আরও ২৩ পণ্যের জন্য জিআই নিবন্ধন পেতে আবেদন করেছেন।আপনি কী জানেন দিনাজপুরের বিখ্যাত চাল হচ্ছে কাটারীভোগ ধানের চাল। কাটারীভোগ চালের ভাত পরিবেশন করলে সুগন্ধি তে ভরে যাই। এই কাটারীভোগ চালের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ভাত যখন সিদ্ধ হয়ে আসে তখন যে সুগন্ধি ছড়ায় তা অন্যান্য চালের মধ্যে পাওয়া যায় না। কাটারীভোগ চাল এর বৈশিষ্ট্য = ১। চাল মাঝারি আকারে। ২। দেখতে চিকন। ৩। চাল সিন্ধ হওয়ার পর খুব সুগন্ধি ছড়ায়।
কাটারিভোগ চাল নিয়ে একটি গল্প প্রচলিত আছে। মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁর দরবারে দিনাজপুরের রাজা প্রাণনাথকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। রাজার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই একজন সম্রাটের সঙ্গে দেখা করার সময় যে কেউই কিছু উপঢৌকন নিয়ে যায়। রাজাও সম্রাটকে খুশি করার জন্য হীরা, পান্না, স্বর্ণমুদ্রার সাথে কাটারিভোগ চাল নিয়ে যান। সম্রাট আওরঙ্গজেব উপঢৌকন হিসেবে পেয়ে যতটা না খুশি হয়েছিলেন, তার থেকে বেশি খুশি হয়েছিলেন কাটারিভোগ চাল পেয়ে। দুর্নীতি ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা বিচার করার বদলে সম্রাট প্রাণনাথকে ‘মহারাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি সুগন্ধি চাল। এটি প্রধানত দিনাজপুর এলাকায় পাওয়া যায়। দিনাজপুরের কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) l কাটারিভোগ চালের চিড়া প্রসিদ্ধ। এই চাল দিয়ে পোলাও, বিরিয়ানি, জর্দা, পায়েস, ফিরনি প্রভৃতি প্রস্তুত করা যায়। এই চাল সুগন্ধযুক্ত ও সুস্বাদু। এই চাল দেখতে সরু ও লম্বা। এর অগ্রভাগ ছুরির মত একটু চোখা ও বাঁকা। এটি বাংলাদেশের সকল এলাকায় হয় না। এমনকি দিনাজপুরেও কেবল দিনাজপুর সদর উপজেলার ফাশিলাহাট, ছোট বাউল, বড় বাউল, করিমুল্যাপুর, খানপুর, চিরিরবন্দর উপজেলায় কাউগাঁ, বিষ্টপুর, তালপুকুর মুকুন্দপুর, দুর্গাডাঙ্গা, ভিয়াইল, পশ্চিম বাউল ও কাহারোল উপজেলার দু-একটি উঁচু জায়গায় এ বিশেষ জাতের ধান চাষ হয়। উঁচু বেলে-দোআঁশ মাটি কাটারিভোগ চাষের উপযোগী। আনুমানিক, একশ বছর আগে থেকে দিনাজপুর জেলায় সুগন্ধি কাটারিভোগের চাষাবাদ হচ্ছে। খেতে সুস্বাদু এই কাটারিভোগ চাল মাথার দিকে ছুরির মতো একটুখানি চোখা ও বাঁকা। সাধারণত চিড়ার রং ফ্যাকাশে ধূসর হলেও এ ধানের চিড়া হালকা সাদা রঙের হয়।
আবহাওয়াগত পরিবর্তন, কৃষকের ন্যায্য দাম না পাওয়া ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কাটারিভোগ প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে সেই দিক বিবেচনা করে মেঠোপথ (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন) বিসিক নিবন্ধিত একটি কুটির শিল্প দিনাজপুর থেকে কাটারিভোগ চাল যা পৌছে দেবে আপনার দরজায় ।
মেঠোপথের কাটারিভোগ চাল কেন খাবেনঃ–
- কৃষক পর্যায়ে ধানের খেতে সর্বোচ্চ জৈব সারের ব্যবহার
- উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকারক কীটনাশকের ব্যবহার মুক্ত
- সরাসরি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে কৃষক হতে বাছাইকৃত ধান থেকে চাল করা হয়েছে
- নিজস্ব চাতাল ও মিল হতে চাল উৎপাদন ও সরবরাহ
- গ্রামের হাস্কিং মিলে ভাঙানো স্বাস্থ্যসম্মত চাল
- ফাইবার সমৃদ্ধ পুষ্টিগুন সম্পন্ন চাল
- ক্ষতিকর ইউরিয়া সার, মোম পলিশ , ব্রাইটনার, কংকর, লাল, মরা ও স্যালাইন পানি মুক্ত
উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং প্যাকেজিংয়ে নিজস্ব তদারকি শতভাগ ভেজালমুক্ত ও খাঁটি চাল
সারা বছর চালের গুনগত মান ঠিক রাখার জন্য আমারা পর্যপ্ত ধান নিজস্ব গোডাউনে মজুদ - সঠিক ব্যবস্থাপনা আর মধ্যস্বত্তভোগী না রেখে আমরা চেষ্টা করছি দামটাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে






Reviews
There are no reviews yet.