মেঠোপথ (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন) বিসিক নিবন্ধিত একটি কুটির শিল্প, যার যাত্রা শুরু হয়েছে ২০২২ সালে দিনাজপুর জেলা থেকে। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কৃষি পণ্যকে হারিয়ে যাওয়া থেকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যই মেঠোপথের কাজ। পরবর্তীতে আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে সকল ঐতিহ্যবাহী খাদ্য পণ্য ও কুটির শিল্প আছে সেগুলো নিয়ে কাজ শুরু করি, এই কাজেও গ্রাহকের কাছ থেকে আমরা বেশ ভালো সারা পেয়েছি। বর্তমানে দিনাজপুরের বিখ্যাত সুগন্ধি চিনিগুড়া চাল, দিনাজপুরের সুগন্ধি কাটারিভোগ চাল, দিনাজপুরের সুনামধন্য কাঠারিভাগের সুগন্ধি আতপ চিড়া, দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী মুগ ডালের প্রিমিয়াম পাঁপড়, খাঁটি সরিষার তেল, ভেজালমুক্ত খাদ্য খাটি ঘি, মধু, কুমড়ো বড়ি পাওয়া যাচ্ছে এবং কুটির শিল্পে হাতের কাজ করা পোশাক আমরা সরবারহ করে থাকি। আমাদের নিজস্ব লোকবল দিয়ে আমরা সকল কাজ সম্পন্ন করে থাকি। তাই গুনগত মান ও বিশ্বস্ততার দিক দিয়ে আমরা শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি।
১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে গঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী দিনাজপুর জেলা । ১৯৮৪ সালে প্রথম দিনাজপুর জেলার আধুনিক রূপান্তর ঘটে। বেদনা লিচু আর কাঠারীভোগ চালের জন্য খ্যাত দিনাজপুর অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক ছিল। ঐতিহাসিকভাবে কৃষি সমৃদ্ধ একটি জেলা হিসেবে দিনাজপুর উত্তরাঞ্চলের শস্যভান্ডার বলে খ্যাতি লাভ করে। স্বাধীনতার পর থেকে কৃষিক্ষেত্রে উন্নত বীজ, সার,সেচ, কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে কৃষিক্ষেত্রে শস্য বহুমুখীকরণ ও বৈচিত্র্যের ব্যপকতা বৃদ্ধি পায়। জীবন নির্বাহী চাষাবাদের স্থলে ক্রমান্বয়ে বাণিজ্যিক চাষাবাদের প্রসার ঘটে। আবহমান কাল ধরে দিনাজপুর একটি কৃষি নির্ভর জেলা। এখানকার অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক। কৃষি খাতকে এই জেলার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের প্রাণ বলা হয়। এর প্রায় পুরোটাই সমতল ভূমির অন্তর্ভুক্ত। অতীতের নদী সমৃদ্ধ দিনাজপুরের বহুবিধ ফল ও ফসলের মধ্যে ধানই ছিল প্রধান কৃষি পণ্য।
