Description
দিনাজপুরের ঐতিয্যবাহী মুগ ডালের প্রিমিয়াম পাপড়
- ১০০% স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি
- মূল্যঃ ৬০০ টাকা কেজি
- পরিমাণঃ নূন্যতম ৫০০ গ্রাম থেকে যেকোন পরিমান
- সংগ্রহ: দিনাজপুর
- প্যাকিং: স্মার্ট প্যাকিং জেলা সদরে হোম ডেলিভারি ও থানা পর্যায়ে কুরিয়ার এর অফিস ডেলিভারি হবে। অর্ডার করার পুর্বে বিস্তারিত জেনে নিতে চাইলে কল করুন 01713 821355 (WhatsApp) নম্বরে ।
দিনাজপুরের মুগ ডালের প্রিমিয়াম পাপড়
দিনাজপুরের পাপড় বাংলাদেশে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় খাবার। এটি মূলত মুগডাল, নানা ধরনের মসলা এবং অন্যান্য উপকরণ দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। দিনাজপুরের পাপড় সাধারণত মচমচে হয় এবং এর স্বাদ বেশ আলাদা । এটি সাধারণত খাবার টেবিলে নাস্তা বা সাইড ডিশ হিসেবে পরিবেশন করা হয়। দিনাজপুরের পাপড়ের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর অদ্বিতীয় স্বাদ এবং গন্ধ। এই অঞ্চলের মশলা এবং প্রস্তুতির বিশেষ পদ্ধতি পাপড়টির স্বাদে একটি ভিন্নতা এনে দেয়, যা এটি দেশের অন্য অঞ্চলের পাপড় থেকে অনেকটা আলাদা করে তোলে। মুখরোচক এই পাপড় তা যদি হয় দিনাজপুরের তবে তো কথাই নেই। দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী মুগ, খেসারি ও বেসনের তৈরি পাপড়ের কথা শুনলে সবার জিভে জল চলে আসে। সুস্বাদু আর মুখরোচক হওয়ায় একসময় এর চাহিদা ছিল ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে। রাজা-বাদশাদের খাদ্যতালিকায়ও ছিল এই পাপড়। এ পাপড়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় ৬০০ বছরের ইতিহাস।
কীভাবে পাপড় তৈরি হয়:
পাঁপড় তৈরীতে প্রথমে সমপরিমাণ মুগ ও মাসকলাই একসঙ্গে মিশিয়ে মেশিনের মাধ্যমে ভেঙে গুঁড়া করা হয়। ফুটানো পানির সঙ্গে লবণ, জিরা, কালিজিরা, গোলমরিচ গুঁড়া, দই, সোডা, হিং ও আমচুর দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে মুগ ও মাসকলাই ডালের মিহি গুঁড়া ও ঠান্ডা পানি মিশিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট রোলিং করে পাঁপড় তৈরির উপযুক্ত মণ্ড তৈরি করেন কারিগররা। মণ্ডটিকে লম্বালম্বি কয়েকটি ভাগে ভাগ করে সুতা দিয়ে কেটে নেওয়া হয়। গোলাকৃতির মসৃণ কাঠের পিঁড়িতে বেলোনচাপ দেওয়া হয়। এভাবে কয়েকবার এপিঠ-ওপিঠ করলে পাঁপড় তৈরি হয়। এগুলো ২০ থেকে ২৫ মিনিট কড়া রোদে ও পরবর্তী সময়ে সারাদিন হালকা রোদে শুকানো হয়। দিনাজপুরে পাপড় তৈরি ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত আছেন অনেক শ্রমিক ও ব্যবসায়ী।
কেন মুখরোচক খাবার পাপড়:
মুখরোচক খাবার পাঁপড়। তা যদি হয় দিনাজপুরের, তাহলে তো কথাই নেই। দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী মুগ ও মাসকলাই ডালের তৈরি পাপড়ের কথা শুনলেই জিভে জল চলে আসে। সুস্বাদু আর মুখরোচক হওয়ায় এক সময় এর চাহিদা ছিল ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে। রাজা-বাদশাদের খাদ্য তালিকায়ও ছিল এই পাঁপড়। দিনাজপুরের এই পাঁপড়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় কয়েকশ বছরের ইতিহাস। পুরোনো ঝাঁকড়া বটগাছের নিচে বসা ছোট ছোট দোকানে ভাজা হয় মুগের পাঁপড়। ওপরে ছিটিয়ে দেওয়া হয় হালকা ঝাল বিট লবণ। পুরো বছর জেলার গ্রামগঞ্জের প্রায় প্রতিটি হাটবাজারে পাঁপড় পাওয়া যায়। মেলাগুলো যেন পাঁপড়ের দোকান ছাড়া জমেই না।
দিনাজপুরের মুগ ডাল পাঁপড়ের সুবিধা
♢ তেল ছাড়াও ভেজে খেতে পারবেন।
♢ বাসায় যে কোন ফ্রেশ তেলে ভাজতে পারবেন, তাই ভেজালমুক্ত।
♢ তেল ছাড়া আর তেল দিয়ে ভাজা পাপড়্রের স্বাদ ভিন্ন তাই পাঁপড় একই হলেও দুই ধরনের টেষ্টের সুবিধা।
♢ মুগ ডাল, খেসারী, মাসকলাই ডাল, বেসন, বাদাম তেল, লবণ, মশলার তৈরি, তাই ফুড ভ্যালু বেশী।
♢ মাঝে মাঝে রোদে দিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন।
♢ দিনাজপুরের অরিজিনাল বিখ্যাত পাপড় এটি।






Reviews
There are no reviews yet.