দিনাজপুরের সুনামধন্য কাঠারিভাগের সুগন্ধি আতপ চিড়া

70.00৳ 

নরম, সুস্বাদু ও ১০০% স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রস্তুত।

📍 সংগ্রহস্থল: দিনাজপুর
📦 প্যাকিং: স্মার্ট প্যাকিং
📦 ডেলিভারি: জেলা সদরে হোম ডেলিভারি, থানা পর্যায়ে কুরিয়ার ডেলিভারি

📞 অর্ডার করুন: 01713-821355 (WhatsApp)


তিন ধরনের চিড়া:
১. আতপ চিড়া – সুগন্ধি ও নরম
২. সিদ্ধ চিড়া – শক্ত ও সুগন্ধিহীন
৩. মোটা চিড়া – সাধারণ, সুগন্ধিহীন


🍚 দুধ-চিড়া, দই-চিড়া, আম-চিড়া
সকালের রাজকীয় নাস্তায় আদর্শ পছন্দ!

Unit: 1kg
Category:

Description

দিনাজপুরের সুনামধন্য কাঠারিভাগের সুগন্ধি আতপ চিড়া

  • ১০০% স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি
  • মূল্যঃ  টাকা কেজি
  • পরিমাণঃ নূন্যতম ১ কেজি থেকে যেকোন পরিমান
  • সংগ্রহ:  দিনাজপুর
  • প্যাকিং: স্মার্ট প্যাকিং জেলা সদরে হোম ডেলিভারি  ও থানা পর্যায়ে কুরিয়ার এর অফিস ডেলিভারি হবে। অর্ডার করার পুর্বে বিস্তারিত জেনে নিতে চাইলে কল করুন 01713 821355 (WhatsApp) নম্বরে ।

 দিনাজপুরের কাঠারিভাগের সুগন্ধি আতপ চিড়া

দিনাজপুর কাঠারী ভোগের চিড়া, দিনাজপুরের কাটারি চিড়া (কাঠাল চিড়া নামেও পরিচিত) এটি উত্তর বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার। ধানের কোমল শিশিগুলো (কাঁঠাল) কে বিশেষ প্রক্রিয়ায় চাটাই পাটির উপর চেপে পাতলা চিড়ায় রূপান্তরিত করা হয়। এই চিড়ার স্বাদ, গন্ধ এবং পুষ্টিকর গুণাবলী একে অনন্য করে তোলে। কাটারিভোগ চিড়া এক ধরনের বিশেষ ধরনের চিড়া, যা কাটারিভোগ চাল থেকে তৈরি করা হয়। এটি বাংলাদেশ এবং ভারতের কিছু অঞ্চলে খুব জনপ্রিয়। সাধারণ চিড়ার চেয়ে এটি তুলনামূলকভাবে ছোট এবং সুগন্ধযুক্ত হয়, যার ফলে এটি খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। কাটারিভোগ চিড়া সাধারণত হালকা খাবার হিসেবে দুধ, চিনি বা দইয়ের সাথে খাওয়া হয়, বিশেষ করে সকালের নাস্তায়। এছাড়া পিঠা বা অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতেও এই চিড়া ব্যবহৃত হতে পারে।

কেন কাটারি চিড়া সবচেয়ে ভালো:  ধানের সেরা অংশ: কাটারি চিড়া তৈরি করা হয় ধানের সেরা অংশ (কাঁঠাল) থেকে, যা পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। সতেজ (শেনশা): এটি অপরিপক্ব ধানের শস্য থেকে তৈরি হওয়ায়, কাতারি চিড়ার একটি খুব নরম এবং সতেজ (শেনশা) গঠন রয়েছে। বিশেষ প্রক্রিয়া: প্রথাগত প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি কাতারি চিড়াকে একটি সূক্ষ্ম, মিষ্টি স্বাদ দেয়। অত্যন্ত পুষ্টিকর: প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে ভরপুর, কাতারি চিড়া অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা দেয়।

কাটারি চিড়ার উপকারিতা:  শক্তি দেয়: কাটারি চিড়ায় কার্বোহাইড্রেটের মাत्रा অধিক যা শরীরে শক্তি দেয়। হজমে সহায়ক: কাটারি চিড়ার আঁশ খাদ্য হজমে সহায়তা করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: কাটারি চিড়ায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কোলেস্টেরল কমায়: কাটারি চিড়ায় লো-ফ্যাট মানে কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে। দিনাজপুর কাঠারী ভোগের চিড়া, কাতারি চিড়ায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের উপস্থিতি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। অতিরিক্তভাবে, কাতারি চিড়ায় থাকা ফাইবার স্বাস্থ্যকর পরিপাক ব্যবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা সামগ্রিক রোগ পপ্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

 

পণ্যের বৈশিষ্ট্য: সাধারণ পুষ্টি উপাদান (১০০ গ্রাম কাটারি চিড়ায়): শক্তি – ৩৪১ ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট – ৭৮ গ্রাম, প্রোটিন – ৮ গ্রাম, চর্বি – ১ গ্রাম, আঁশ – ৫ গ্রাম, ক্যালসিয়াম – ৮ মিলিগ্রাম

🍚 সুগন্ধি কাটারীভোগ আতপ চিড়া, এই চিড়াটি মূলত তৈরি হয় কাটারীভোগ ধান (GI) থেকে। চিড়াটি সুগন্ধি হওয়ার কারণে খেতে হয় খুব সুস্বাদু।

👨‍👩‍👧‍👧 যখন দূর থেকে কোন অতিথি মহারাজার প্রাসাতে আস্ত মহারাজার সাথে দেখা করতে তখন তাকে সকালের জল খাবারে (নাস্তা) দেয়া হতো সুগন্ধি কাটারীভোগ আতপ চিড়া, মিষ্টি দই এবং সন্দেশ অথবা খাঁটি গরুর দুধ এবং সুগন্ধি কাটারীভোগ আতপ চিড়া। আর যদি সেটি গ্রীষ্মকাল থাকতো তাহলে জলখাবারে থাকতো আম, দুধ,চিড়া।

🟢 দুধ-চিড়া, অথবা দই-চিড়া, অথবা আম-দুধ-চিড়া এই খাবারের প্রচলনটি মহারাজা শ্রী রামনাথের সময় থেকে এখনো অব্যাহত আছে।

🛒 এখন বাজারে যেগুলি কাটারীভোগ চিড়া পাওয়া যায় সেগুলি হচ্ছে সিদ্ধ চিড়া তাই জন্য কোন সুগন্ধি থাকে না। আমাদের কাছে আপনি পাবেন মূলত তিন প্রকারের চিড়া:

১. কাটারীভোগ আতপ চিড়া: এটি মূলত সুগন্ধি এবং নরম হয়। আপনাকে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হবে না। চিড়াটি ধুয়ে গরম দুধে দিলে এক মিনিটের মধ্যে নরম হয়ে যাবে এবং চিড়ার সুগন্ধি তে আপনার ঘর ভরে যাবে।

২. কাটারীভোগ সিদ্ধ চিড়া: এই চিড়াটি মূলত করা হয় ঢেঁকিতে এবং চিড়াটি হয় অনেক শক্ত। এই চিড়াটিকে লাল চিড়া বলা হয়। সিদ্ধ চিড়া হওয়ার কারণে কোন সুগন্ধি থাকে না। এই চিড়া দিয়ে মূলত করা হয় চিড়ার বিরিয়ানি।

৩. মোটা চিড়া: এই চিড়া মূলত ২৮ ধানের চিড়া এই চিড়াতে কোন সুগন্ধি থাকে না।

কাটারিভোগ ধান থেকে যে কাটারিভোগ চিড়াও হয় তা হয়তো অনেকেই আমরা জানি না- সেই কাটারিভোগ ধান থেকেই তৈরি হয় কাটারিভোগ চিড়া। মাটির চুলায় ধান ভাজা থেকে ঢেঁকিতে কুটা পর্যন্ত পুরো কাজটাই সম্পূর্ণ করেন দিনাজপুরের মমতাময়ী কৃষাণীরা। এই চিড়ার বিশেষ সুগন্ধ ও স্বাদে জড়িয়ে রয়েছে আমাদের দিনাজপুরের গ্রাম-বাঙলার ঐতিহ্য। দিনাজপুরের স্বর্ণ প্রসূত লাল মাটি আর প্রকৃতির অকৃপণ দান এলাকাবাসীকে যেন স্নেহভরে তুলে দিয়েছিল এক বিশেষ সম্পদ “কাটারিভোগ” ধান। দিনাজপুরের মাটি ও মানুষ ধন্য সে সম্পদ পেয়ে। গর্বিত ও সম্মানিত দেশ বিদেশের কাছে। কাটারিভোগ ধান ছাড়াও এ জেলায় আরো নানা জাতের সুগন্ধি ধান জন্মে। তার মধ্যে ব্রি ধান-৩৪, জিরা কাটারী (চিনিগুঁড়া), ফিলিপিন কাটারি, চল্লিশ জিরা, বাদশা ভোগ, কালোজিরা, জটা কাটারি, চিনি কাটারি ও ব্রিধান-৫০ উল্লেখযোগ্য। এ জেলার ঐতিহ্যবাহী “ কাটারিভোগ ধান” বাংলাদেশের যে কোন ধানের চেয়ে গুণগত মানের দিক থেকে উন্নত। কখন কিভাবে দিনাজপুর জেলার কাটারিভোগ ধানের উৎপাদন শুরু হয়েছিল তা” সঠিকভাবে জানা যায়নি, তবে বিভিন্নভাবে সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায় যে, কাটারিভোগ দিনাজপুরের আদি ও অকৃত্রিম ধান, ইতিহাস থেকে জানা যায় আর্যদের এ দেশে আগমনের পূর্ব থেকেই এ অঞ্চলে এ ধানের উৎপাদন হতো এবং তখন থেকেই মাটি ও মাটির উর্বরতা বিশেষে সুগন্ধি যুক্ত কাটারিভোগ ধানের উৎপাদন শুরু হয়েছিল।

কাটারিভোগকে ঘিরে রয়েছে অনেক কিংবদন্তী, লোককথা, লোকগাঁথা ও কাহিনী গল্প। ছুরি যেমন মাথার দিকে চোখাও একটু খানি বাঁকা, কাটারিভোগ ধানও দেখতে ঠিক তেমনি এবং সুগন্ধি। কথিত আছে যে, এই উন্নত ধানের চাল দিয়েই দেবতাকে ভোগ দেওয়া হতো বলেই এর নামকরণ করা হয়েছে “কাটারিভোগ” দিনাজপুরের প্রতাপশালী রাজা প্রাণনাথের বিরুদ্ধে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের দরবারে দুর্নীতি, দুঃশাসন, দিল্লীর দরবারে রাজস্ব না পাঠানোর হঠকারিতা, মোগল আনুগত্য অস্বীকার ইত্যাদি অভিযোগ উত্থাপিত হলে সম্রাট রাজা প্রাণনাথকে তার দরবারে তলব করেন। ভীত সন্ত্রস্ত জমিদার প্রাণনাথ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ খন্ডানোর উদ্দেশ্যে মোগল দরবারে উপযোগী বিপুল সংখ্যক উপঢৌকন নিয়ে যান। তার মধ্যে ঢাকার মসলিন, রাজশাহীর গরদ, বহু হীরা পান্না, জড়োয়, অলঙ্কার ও বিরাট অংকের স্বর্ণ মুদ্রা এবং দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী সুরভিযুক্ত “কাটারিভোগ চাল” ও “চিড়া” সঙ্গে নিয়ে দিল্লীর দরবারে গমন করেন। এই সমস্ত উপঢৌকনাদি প্রাণনাথের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলি খন্ডাতে পুরোপুরি সাহায্য করে এবং তিনি সসম্মানে “রাজা” উপাধিতে ভূষিত হন। উপঢৌকন হীরা-পান্না, স্বর্ণমুদ্রা পেয়ে সম্রাট যত না খুশি হয়েছিলেন, তার চেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছিলেন “কাটারিভোগ চাল” ও “চিড়া” পেয়ে। বর্তমান যুগেও এ জেলার মানুষ আত্মীয়-স্বজনকে খুশি করতে উপঢৌকন হিসেবে “কাটারিভোগ চাল” ও “চিড়া” পাঠাতে ভুল করেন না। সেই কাটারিভোগ ধান থেকেই তৈরি হয় কাটারিভোগ চিড়া। মাটির চুলায় ধান ভাজা থেকে ঢেঁকিতে কুটা পর্যন্ত পুরো কাজটাই সম্পূর্ণ করেন দিনাজপুরের মমতাময়ী কৃষাণীরা। এই চিড়ার বিশেষ সুগন্ধ ও স্বাদে জড়িয়ে রয়েছে আমাদের দিনাজপুরের গ্রাম-বাঙলার ঐতিহ্য।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “দিনাজপুরের সুনামধন্য কাঠারিভাগের সুগন্ধি আতপ চিড়া”

Your email address will not be published. Required fields are marked *